Songkran হলো থাইল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী নববর্ষ উৎসব, যা জল উৎসব নামেও ব্যাপকভাবে পরিচিত। বৌদ্ধ ক্যালেন্ডারের এই গুরুত্বপূর্ণ উৎসবটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে পালিত হয়। 1XBET আপনাদের জন্য এই মনোমুগ্ধকর উৎসবের খুঁটিনাটি ও বাংলাদেশে এর উদযাপনের কিছু চমৎকার তথ্য নিয়ে এসেছে, যা আপনার সাংস্কৃতিক জ্ঞানকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
ঐতিহ্যগতভাবে প্রতি বছর ১৩ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সংক্রান উদযাপিত হয়। তবে ২০১৮ সালে থাইল্যান্ড সরকার নাগরিকদের ছুটির সুবিধার্থে এই উৎসবের সময়কাল ৯ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত বৃদ্ধি করে। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল যাতে নাগরিকরা লম্বা ছুটিতে স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি ভ্রমণ করতে পারে এবং পরিবারের সাথে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে পারে। এই সময়ে মানুষ একে অপরের গায়ে পানি ছিটিয়ে পুরনো বছরের গ্লানি মুছে ফেলে এবং নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
বাংলাদেশেও এই চমৎকার উৎসবটির ছোঁয়া লেগেছে। বিশেষ করে ঢাকায় অবস্থিত রয়েল থাই দূতাবাসে প্রতি বছর অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে এটি পালিত হয়। আগামী ১১ এপ্রিল ২০২৫ সালে ঢাকায় এই উৎসবটি উদযাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও খাঁটি বিনোদনের এক অপূর্ব মেলবন্ধন দেখা যাবে। পানি ছোড়াছুড়ির পাশাপাশি সেখানে ঐতিহ্যবাহী নানা আয়োজন থাকে, যা উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
শুধু পানি ছোড়াছুড়িই নয়, সংক্রান উৎসব দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে স্থানীয় উৎসব ও সুস্বাদু খাবারের আয়োজনের অনুপ্রেরণা জোগায়। এটি পরিবারের সাথে সময় কাটানো, মন্দিরে যাওয়া এবং বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের এক অনন্য উপলক্ষ্য। উৎসবের এই দিনগুলোতে মানুষ পুরনো ভুল-ভ্রান্তি ভুলে নতুন জীবনের সূচনা করে এবং একে অপরের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে।
1XBET-এর পাঠকদের জন্য সংক্রান উৎসব সম্পর্কিত কিছু সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর নিচে আলোচনা করা হলো। এই উৎসব সম্পর্কে আপনার কৌতূহল মেটাতে আমরা এই তথ্যগুলো উপস্থাপন করেছি।
ঐতিহ্যগতভাবে এটি প্রতি বছর ১৩ থেকে ১৫ এপ্রিল পালিত হয়। তবে থাইল্যান্ডে মানুষের ছুটির সুবিধার জন্য ২০১৮ সাল থেকে উৎসবের সময়কাল ৯ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে।
ঢাকায় অবস্থিত রয়েল থাই দূতাবাস বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে এই উৎসব পালন করে থাকে। সেখানে থাই সংস্কৃতি, ঐতিহ্যবাহী খাবার এবং পানি উৎসবের আনন্দ একযোগে উপভোগ করা যায়।
পানি ছিটানো এই উৎসবের প্রধান আকর্ষণ। ঐতিহ্যগতভাবে বিশ্বাস করা হয় যে পানি সমস্ত দুর্ভাগ্য ও নেতিবাচকতা ধুয়ে মুছে দেয়, যার মাধ্যমে মানুষ নতুন বছরকে সম্পূর্ণ পবিত্রতার সাথে গ্রহণ করে।